অর্থনীতি সম্পর্কিত আরো খবর


বাংলাদেশের মজুতকৃত জ্বালানি আর কয়দিন চলবে?

  • প্রকাশ : রবিবার ০৮ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১১:২০ এএম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে জ্বালানি সংকট। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ঢাকাকে জ্বালানি ও গ্যাস রেশনিং শুরু করতে বাধ্য করেছে। একই সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাবে অস্থির স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি ও পরিশোধিত তেল জোগাড়ে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।

ইতোমধ্যেই সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেল (অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল) কিনতে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। গ্রাহকরা নিজ নিজ গাড়ি নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন গাড়ির তেল কিনতে। একই অবস্থা দেখা গেছে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও।

তবে বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অনেকেই ভাবছেন এখনই তেলের সংকট হবে। আসলে এখনই তেলের সংকট হবে না। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আগামী মাসে সংকট হতে পারে। এখন ক্রেতারা যেভাবে কিনছেন, এটি প্যানিক বায়িং। কারণ, বর্তমানে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে ডিজেল ১৪ দিন, অকটেন ২৮ দিন, পেট্রোল ১৫ দিন, ফার্নেস ৯৩ দিন ও জেট ফুয়েল ৫৫ দিন চলবে।