প্রিন্স সিনেমার টিজারের দৃশ্য ও পোস্টার। ছবি - সংগৃহীত
অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেল ঈদের সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’র টিজার। আজ দুপুরে এসকে ফিল্মসের ইউটিউব চ্যানেলে এসেছে টিজারটি। এক মিনিট ২৯ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের টিজারটিকে অবশ্য নির্মাতারা বলছেন ‘প্রি-ব্লাস্ট’।
তবে প্রত্যাশা যতটা ছিল টিজার নিয়ে, ঠিক তার উল্টোটাই ঘটেছে। টিজার প্রকাশের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করছেন দর্শক। অনেকের দাবি, গোঁজামিল দিয়ে একটি টিজার বানিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে। পর্দায় নির্মাতার যতটা সৎ থাকার কথা ছিল, ততটা তার প্রথম ঝলকে দেখা যায়নি। এখন সিনেমাটি কেমন হবে এ নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেকে। বলা যায়, প্রিন্স নিয়ে দর্শক-ভক্তদের যে উত্তেজনা ছিল, টিজার প্রকাশের পর সে উত্তেজনায় পানি ঢাললেন নির্মাতা।
টিজারে গ্যাংস্টারের রূপে দেখা গেছে শাকিব খানকে। শুরুতেই দেখা যায় ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের অপরাধের চিত্র, এরপরই দৃশ্যপটে হাজির হন প্রিন্স চরিত্রের অভিনেতা শাকিব খান। লম্বা চুল, চোখে সানগ্লাস; অ্যাকশনের মেজাজে প্রিন্স গুলিতে ধরাশায়ী করেন প্রতিপক্ষ আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের। টিজারে শাকিবের আরেকটি চেহারা সামনে এসেছে—তুলনামূলক ছোট চুল, লুকও ভিন্ন। এটি কি প্রিন্সের আগের গল্প, নাকি দ্বৈত চরিত্র, সেটা অবশ্য স্পষ্ট করা হয়নি। টিজারে দেখা গেছে আলোচিত ভারতীয় অভিনেতা দিব্যেন্দু ভট্টাচার্যকে; এ ছাড়া শাকিবের দুই নায়িকা তাসনিয়া ফারিণ ও জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডুরও ঝলক আছে। টিজারের শেষের দিকে প্রিন্সের কণ্ঠে শোনা যায় সংলাপ, ‘আমার সাথে যে ধান্ধা করবে, তার জন্য মিষ্টি আর আমার শত্রুর সঙ্গে যে ধান্ধা করবে, তার জন্য বুলেটের বৃষ্টি।’
সিনেমাটি নির্মাণ করছেন আবু হায়াত মাহমুদ। এতে আরও অভিনয় করেছেন রাশেদ মামুন অপু, ইন্তেখাব দিনার, ডা. এজাজ, শরীফ সিরাজসহ একঝাঁক অভিনয়শিল্পী।
শাকিব খান ও সাবিলা নূর । ছবি : সংগৃহীত
মার্চ মাসের শেষের দিক দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে মেগাস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমার শুটিং। সামনে ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে শাকিব খান এর রকস্টার আসছে, তবে সিনেমায় তার বিপরীতে কে থাকবেন সেটা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। এমনকি গুঞ্জন উঠেছিল, পাকিস্তানের এক অভিনেত্রী তার সঙ্গে জুটি বাঁধতে পারেন।
তবে প্রথম থেকেই পরিচালক জানিয়ে ছিলেন, সিনেমার গল্প যেহেতু দেশীয় প্রেক্ষাপটে তৈরি, তাই নায়িকাও দেশেরই একজন হবেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ‘রকস্টার’ সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে আবারও জুটি বাঁধছেন সাবিলা নূর। ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ঘনিষ্ঠ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, প্রথমে নতুন কোনো মুখ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও সময় স্বল্পতার কারণে সেই ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত গত বুধবার সাবিলা নূরকেই নায়িকা হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। এর আগে ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করেছেন সাবিলা নূর। ‘রকস্টার’-এর মাধ্যমে দ্বিতীয়বারের মতো শাকিব-সাবিলা জুটি একসঙ্গে পর্দায় হাজির হচ্ছেন।
সূত্র জানায়, ছবিটি মূলত একটি রোমান্টিক মিউজিক্যাল ঘরানার হবে। সে কারণে এতে অ্যাকশন দৃশ্যের উপস্থিতি খুব কম থাকবে। তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২২ মার্চ মালয়েশিয়ায় সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে এবং সেটা চলবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। এরপর ঢাকায় ২ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত টানা শুটিং চলবে।
আজমান রুশো পরিচালিত এই সিনেমায় শাকিব খান ও সাবিলা নূরের পাশাপাশি তানজিয়া জামান মিথিলা সহ আরও অনেক শিল্পী অভিনয় করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ঈদুল আযহা উপলক্ষে ‘রকস্টার’ সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
সিয়াম আহমেদ | ছবি : সংগৃহীত
অবশেষে অন্তর্জালে
উন্মুক্ত হলো আসন্ন ঈদে মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রাক্ষস’ এর ট্রেলার। প্রকাশের পর
থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। ট্রেলারে রহস্য,
থ্রিল ও অ্যাকশনের মিশেলে তৈরি এক অন্ধকার জগতের আভাস মিলেছে যা দর্শকদের কৌতূহল আরও
বাড়িয়ে দিয়েছে।
ট্রেলারের শুরুতেই
দেখা যায় উত্তেজনাপূর্ণ কিছু দৃশ্য যেখানে কোথাও ভয়, কোথাও তাড়া, আবার কোথাও অদ্ভুত
এক রহস্যের ইঙ্গিত রয়েছে। সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ।
তার চরিত্রকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এক অদ্ভুত দ্বন্দ্ব যেখানে মানবিকতা আর ভয়াবহতার মাঝামাঝি
কোথাও দাঁড়িয়ে আছে গল্পটি। অন্যদিকে এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের
সিনেমায় অভিনয় করেছেন কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি। ট্রেলারে তাঁকে দেখা
গেছে ভিন্নধর্মী এক চরিত্রে যেখানে রহস্যময়তার পাশাপাশি রয়েছে আবেগের গভীর ছাপও।
তবে ট্রেলারের
সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তটি এসেছে একেবারে শেষ দিকে। কয়েক সেকেন্ডের জন্য পর্দায় দেখা
যায় টাক মাথা এবং শরীরজুড়ে ট্যাটু করা এক ভয়ংকর ভিলেনকে। তার ইশারা, হাঁটার ভঙ্গি আর
উপস্থিতিই যেন পুরো ট্রেলারের আবহকে আরও ভয়ংকর করে তোলে। কিন্তু কে এই অভিনেতা সেটিই
এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে নেটিজেনদের মনে। ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে
দর্শকরা নানা জল্পনাকল্পনায় মেতে উঠেছেন। কেউ বলছেন এটি নতুন কোনো মুখ আবার কেউ মনে
করছেন পরিচিত কোনো অভিনেতাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন লুকে হাজির করা হয়েছে।
নির্মাতারা
এখনো এ বিষয়ে মুখ খোলেননি ফলে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। তবে একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে
চমকপ্রদ খবর হলো রহস্যময় সেই ভিলেন আর কেউ নন বরং সিয়াম আহমেদ নিজেই। প্রস্থেটিক মেকআপ
দিয়ে একদমই অন্যরকমভাবে পর্দায় হাজির করা হচ্ছে তাকে। জানা গেছে সিনেমাটিতে দ্বৈত চরিত্রে
দেখা যাবে সিয়াম আহমেদকে অর্থাৎ গল্পের নায়কও সিয়াম এবং মূল খলনায়কও সিয়াম।
মেহেদী হাসান
হৃদয় পরিচালিত অ্যাকশন, থ্রিল ও রহস্যে মোড়া এই ‘রাক্ষস’ সিনেমাটি ঈদুল ফিতরে মুক্তি
পাচ্ছে। এতে সিয়াম এবং সুস্মিতা চ্যাটার্জি ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন আলী রাজ, সোহেল মণ্ডল,
সাদনিমা নোমান, বলিউডের শাতাফ ফিগার এবং কলকাতার জিল্লু ওরফে শ্যাম ভট্টাচার্য্য প্রমুখ।
সিনেমাটি আগামীকাল রবিবার সেন্সরের জন্য সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা পড়বে বলে জানা গেছে।
এখন দেখার বিষয় বড় পর্দায় এই ‘রাক্ষস’ এর আসল চেহারা কীভাবে উন্মোচিত হয়।
শরীফুল রাজ ও সাবিলা নূর । ছবি - সংগৃহীত
ঈদে
মুক্তি পাবে তানিম নূরের
সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। হুমায়ূন আহমেদের
‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ দুই চরিত্রে অভিনয়
করেছেন শরীফুল রাজ ও সাবিলা
নূর। সম্প্রতি রাফসান সাবাবের সঞ্চালনায় ‘হোয়াট আ শো’-তে
হাজির হয়েছিলেন দুই তারকা। সেখানে
সিনেমাটি নিয়ে কথা বলেছেন
রাজ ও সাবিলা।
অনুষ্ঠানের
একপর্যায়ে সঞ্চালক জানতে চান ব্যক্তিগত জীবনের
ট্রেন জার্নির কথা। তখন রাজ
বলেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর অনেক ঘটনার
সঙ্গে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পেয়েছেন
তিনি। এর মধ্যে একটি
হলো বিনা টিকিটে ভ্রমণ
আর টিটি এলেই বাথরুমে
লুকিয়ে পড়া। রাজ জানান,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সিলেট যাওয়ার
সময় পকেটমানি বাঁচতে এক-দুই বার
এমনটা করেছেন। অনুষ্ঠানে সহশিল্পী সাবিলাকেও প্রশংসায় ভাসান রাজ। বলেন, ‘সে
দারুণ অভিনেত্রী। শুটিংয়ে সাবিলা নূর যদি থাকে,
শুটিং মাতাতে আর কিছু লাগে
না।’
সিনেমাতে
চিত্রা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাবিলা। তিনি জানান, এফডিসিতে
সেট ফেলে দুটি ট্রেন
তৈরি করা হয়েছিল। সেখানেই
হয়েছে সিনেমাটির শুটিং। সাবিলা বলেন, ‘সেট বানাতে মনে
হয় দেড় মাসের মতো
সময় লেগেছে; কিন্তু এটা এত বাস্তবসম্মত
ছিল যে, শুটিংয়ের সময়
মনে হচ্ছিল, আসল ট্রেনের মতোই
চলছে। বাসায় যাওয়ার পর যখন মেকআপ
তুলছি, তখনো মনে হচ্ছে
সবকিছু দুলছে (মোশনের মতো)। সেটে
যতক্ষণ আমরা শুটিং করেছি
ততক্ষণও ঝাঁকি ছিল। আমাদের শিল্পনির্দেশক
রাজীন ভাইয়া দারুণ কাজ করেছেন। তিনি
এত দারুণভাবে ডিজাইন করেছেন, আমাদের একবারের জন্যও মনে হয়নি, এটা
আসল ট্রেন নয়। পরে যখন
আসল ট্রেনে শুটিংয়ে গেছি, তখন মনে হয়েছে
সেটেরটাই ভালো ছিল।’
তারকাবহুল
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমায় রাজ ও সাবিলা
ছাড়াও আছেন মোশাররফ করিম,
চঞ্চল চৌধুরী, আজমেরী হক বাঁধন, জাকিয়া
বারী মম, শ্যামল মাওলাসহ
অনেকে।
ছবি : ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
প্রথম বাংলাদেশি রক ব্যান্ড হিসেবে একুশে পদক পেয়েছে ওয়ারফেজ। পদক নিয়ে রিকশায় করে বাড়ি ফিরলেন ওয়ারফেজ ব্যান্ডের সদস্যরা। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে ফেরার পথে রিকশাচালকসহ ফেসবুকে হাস্যজ্জ্বল ছবি পোস্ট করেন দলের গিটারিস্ট ইব্রাহিম আহমেদ কমল।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ছিল ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠান।
অমর একুশের ভাষা আন্দোলন এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আজ ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যান্ড দল ওয়ারফেজকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করা হয়।
দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদকপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ২০২৬ সালের একুশে পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার,জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), চারুকলায় প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার, নৃত্যে অর্থি আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তা, বিদেশি আমন্ত্রিত অতিথি, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিল্পীসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
হেভিমেটাল ব্যান্ড হিসেবে ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করেছিল ‘ওয়ারফেজ’। ক্রমে জনপ্রিয় থেকে তারুণ্যের ক্রেজে পরিণত হয় দলটি। ১৯৯১ সালে দলের নামেই প্রকাশিত হয় প্রথম হেভিমেটাল গানের অ্যালবাম ‘ওয়ারফেজ’। বলা যায়, ওয়ারফেজের হাত ধরেই বাংলায় হেভিমেটাল জেগে ওঠে। ইংরেজি থেকে তরুণরা তখন বাংলা হেভিমেটালের দিকে মুখ ফেরায়। তাদের মুখে মুখে ফিরতে থাকে ‘একটি ছেলে’, ‘বসে আছি’ গানগুলো।
ওয়ারফেজের বর্তমান লাইন আপের দলনেতা ও ড্রামসে টিপু, ভোকালে পলাশ, লিড গিটারে কমল, সামির ও সৌমেন।
মূলত ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে ১৯৭৬ সাল থেকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা হিসেবে একুশে পদক দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
হায়দার হোসেন
শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার হায়দার হোসেনের মৃত্যুর ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ে। মূলধারার কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরির মাধ্যমে এই অপপ্রচার চালানো হয়। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সংগীতপ্রেমী ও ভক্তদের মাঝে তীব্র উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। অনেকেই সত্যতা যাচাই করতে ফোন ও বার্তার মাধ্যমে শিল্পীর খোঁজ নিতে শুরু করেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং গুজবটি উড়িয়ে দিয়ে হায়দার হোসেন নিজেই তার ফেসবুক পেজে একটি বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন “সর্বশক্তিমান আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমি বেঁচে আছি এবং ভালো আছি। আমাকে দোয়ায় রাখার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।”
পরবর্তীতে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালেও এই শিল্পী বিরক্তি ও স্বস্তি প্রকাশ করে জানান, সন্ধ্যা থেকে তিনি একের পর এক ফোন পাচ্ছেন এবং বেশ ঝামেলার মধ্যে পড়েছেন। তবে তিনি ভক্তদের আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ ও ভালো আছেন।
বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে হায়দার হোসেন একটি অবিচ্ছেদ্য নাম। তার কালজয়ী গান ‘৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি’ এবং ‘আমি ফাইসা গেছি’ আজও সব প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয় ও প্রাসঙ্গিক।
রাশমিকা মান্দানা
দক্ষিণি সিনেমার আলোচিত জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা অবশেষে পর্দার প্রেমকে বাস্তবের সম্পর্কে রূপ দিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঘনিষ্ঠজন ও তারকাদের উপস্থিতিতে সাতপাকে বাঁধা পড়েন তারা। তবে তাদের বিয়ের জমকালো আয়োজনের চেয়েও বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে আরেকটি বিষয়—বর-কনের শরীরজুড়ে ঝলমলে বিপুল স্বর্ণালঙ্কার। রাজকীয় সাজে সেজে ওঠা এই জুটির সেই সোনালি উপস্থিতি মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ভক্তদের কৌতূহল ও বিস্ময় দুটোই বাড়িয়ে দিয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, এই তারকা দম্পতির বিয়ের গহনাগুলো তৈরি করা হয়েছে হায়দরাবাদের এক বিখ্যাত জুয়েলারি হাউস থেকে। বিয়ের সাজে রাশমিকা মান্দানা বেছে নিয়েছিলেন দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যবাহী আভিজাত্য। তার পরনে ছিল বিশেষ 'কাসু মালা', যা গলার লকেট থেকে কোমর পর্যন্ত বিস্তৃত। গহনাটিতে খোদাই করা ছিল দেবী লক্ষ্মীর প্রতিকৃতি ও নিপুণ কল্কার নকশা।
মাথায় টায়রা-টিকলি, কানে ঝুমকা আর হাতে বাহারি চুড়ির সঙ্গে রাশমিকা পরেছিলেন বিশেষ 'হাতপদ্ম'। জানা গেছে, সব মিলিয়ে কনের অঙ্গে ছিল প্রায় তিন কেজি ওজনের স্বর্ণ ।