ইসলামী আন্দোলনের এমপি
দেশজুড়ে তুমুল আলোচিত ‘খেজুর ইস্যু’তে এবার বার্তা দিলেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ।
শনিবার (১৪ মার্চ) দিবাগত মাঝরাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টের মাধ্যমে এ বার্তা দেন তিনি।
পোস্টে অলিউল্লাহ লিখেছেন, ‘অচিরেই খেজুর বণ্টনের তালিকা প্রকাশ করা হবে। যারা না জেনে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি করছেন, বুঝে-শুনে লেখালেখি করা দরকার ছিল। নতুবা এ ব্যাপারে আমার কাছে জিজ্ঞেস করা দরকার ছিল। না জেনে মন্তব্য করা ঠিক হয়নি।’
এর আগে, সামাজিক মাধ্যমে তাকে নিয়ে অভিযোগমূলক বিভিন্ন ধরনের লেখালেখি দেখা যায়। কিছু কিছু আইডি থেকে দাবি করা হয়, সংসদ সদস্য অলিউল্লাহ তার এলাকার বরাদ্দকৃত খেজুর ‘আত্মসাৎ করেছেন’। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই পোস্ট দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন ইসলামী আন্দোলনের এই এমপি।
প্রসঙ্গত, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ২৫০ কার্টন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’-এর দেওয়া এই খেজুর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, সৌদি আরবের বাদশাহ প্রতিষ্ঠিত ‘কিং সালমান হিউম্যানিটিরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারে’র পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার দেওয়া হয়। এসব খেজুর গত ১ মার্চ জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। পরবর্তীতে একই তারিখ ও স্মারকের ৫ মার্চ স্বাক্ষরিত সংশোধিত বরাদ্দপত্রে ১২ হাজার ২৫০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়। এছাড়া শুরুতে ঢাকায় মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ১৮৫, ঢাকাস্থ সৌদি আরব দূতাবাসকে ৫০ এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরের আদেশে তা বাতিল করা হয়েছে। এতে কুমিল্লা, টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, নওগাঁ, দিনাজপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলায় খেজুরের কার্টুন কম-বেশি হয়েছে।
গত ৫ মার্চের বরাদ্দ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জেলার জনসংখ্যা ও ইউনিয়নের আনুপাতিকহারে খেজুর বরাদ্দ করা হয়েছে। নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব খেজুর বিতরণ করা হবে।
সর্বশেষ বরাদ্দ অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় ২৯৭ কার্টুন, নারায়ণগঞ্জে ১০১, গাজীপুরে ১০৩, মুন্সিগঞ্জে ১৮০, মানিকগঞ্জে ১৭১, নরসিংদীতে ১৮৮, টাঙ্গাইলে ৩০০, কিশোরগঞ্জে ২৮০, ফরিদপুরে ২১০, গোপালগঞ্জে ১৭৫, মাদারীপুরে ১৫৭, শরীয়তপুরে ১৭৩ এবং রাজবাড়ীতে ১১০ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহে ৪১৪, নেত্রকোনায় ২২৬, জামালপুরে ১৭৭, শেরপুরে ১৩৭, চট্টগ্রামে ৫০০, কক্সবাজারে ১৮৭, রাঙ্গামাটিতে ১৩০, খাগড়াছড়িতে ৯৭, বান্দরবানে ৯০, কুমিল্লায় ৫০০, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬০, চাঁদপুরে ২৩৫, নোয়াখালীতে ২৪৩, লক্ষ্মীপুরে ১৫৪ এবং ফেনীতে ১১২ কার্টুন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহীতে ১৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১৬, নওগাঁয় ২৫০, নাটোরে ১৩৫, পাবনায় ১৯৬, সিরাজগঞ্জে ২২১, বগুড়ায় ২৯১ এবং জয়পুরহাটে ৮১ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
রংপুরে ২০১, কুড়িগ্রামে ১৯২, নীলফামারীতে ১৬১, গাইবান্ধায় ২১৪, লালমনিরহাটে ১১৬, দিনাজপুরে ২৬৫, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪১ এবং পঞ্চগড়ে ১১২ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খুলনায় ১৮২, বাগেরহাটে ২০৩, সাতক্ষীরায় ২০৭, যশোরে ২৪৭, ঝিনাইদহে ১৭৫, মাগুরায় ৯২, নড়াইলে ১০১, কুষ্টিয়ায় ১৭৪, মেহেরপুরে ৫১ এবং চুয়াডাঙ্গায় ১০৫ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বরিশালে ২৩৪, পটুয়াখালীতে ২০২, ভোলায় ১৮৭, পিরোজপুরে ১৩৯, বরগুনায় ১১০, ঝালকাঠিতে ৮২, সিলেটে ২৭৫, হবিগঞ্জে ২০০, মৌলভীবাজারে ১৭০ এবং সুনামগঞ্জে ২২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শফিকুর রহমান
ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. শফিকুর রহমানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জারি করা গেজেট অনুসারে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১ এর বিধি ২(১)(ত) এর অধীনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে একই আইনের অধীনে বিরোধীদলের উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সরকারের বিরোধিতাকারী সংসদীয় দল বা জোটের সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক হওয়ায় স্পিকার তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেন।
মির্জা আব্বাস
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিকেল বোর্ড। আজ শুক্রবার বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সবকিছু পর্যালোচনা করে মির্জা আব্বাসের মস্তিস্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
“দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে উনাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে। এর আগে সকালে উনার সিটি স্ক্যান করা হয়েছিল। সেই রিপোর্টে অবস্থার অবনতি বোঝা যাওয়ায় দ্রুত একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে এবং সব কিছু দেখে এই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়েছে।”
মেডিকেল বোর্ডে দেশের প্রখ্যাত নিউরো বিশেষজ্ঞরা আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক রফিক।
বোর্ডের আলী উজ্জামান জোয়ার্দার, কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, শাহাবুদ্দিন তালুকদার, রাজিউল হক, সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, কাদের শেখ, শফিকুল ইসলামসহ এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা রয়েছেন।
রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।
গত বুধবার ইফতারির সময়ে অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে।
সামান্তা শারমিন ও শাহরিয়ার কবির।
শাহরিয়ার কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা ৩টা ১৯ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি। তার পোস্টটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন জামায়াতের রাজনৈতিক বিশ্লেষক শাহরিয়ার কবির। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে যে কয়জন নারী নেত্রী সরব ছিলেন, তিনি তাদের মধ্যে একজন। তখন আমরা আমাদের পাশে কাউকে পাই নাই। তার ব্যাপারে যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেটা দল নেবে। শাহরিয়ার কবির শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য করেছেন।
সামান্তা আপুর অনেক কথার সঙ্গে আমি একমত না। কিন্তু উনাকে আততায়ী বলা, টাকায় বিক্রি হওয়া ও এজেন্ট বলার মতো নোংরা মন্তব্য করার জন্য শাহরিয়ার কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।
ডা. জুবাইদা
প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের সংকল্প বলে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, `মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সবার দোরগোড়ায় থাকবে, ইনশাল্লাহ।’
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের এলডি হলসংলগ্ন মাঠে ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাবের উদ্যোগে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুবাইদা রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার। প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের সংকল্প। আমাদের বিশ্বাস, আমাদের সংকল্প- চিকিৎসা খরচ মেটাতে আর সর্বস্বান্ত নয়। প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা পাবে তার প্রয়োজন অনুযায়ী, সামর্থ্য অনুযায়ী নয়। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ভিত্তি-স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং এগুলোকে মা, শিশু ও নবজাতকদের স্বাস্থ্যসেবার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’
জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. জুবাইদা বলেন, ‘তাদের লক্ষ্য সময়মতো অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে আর কোনো মানুষ যেন তার জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগ না করে। যাতে ২৪ ঘণ্টা রোগী পরিবহন ও জরুরি সহায়তা পাওয়া যায়। মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ ও স্নাতকোত্তর ইনস্টিটিউটসমূহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বলেন, ‘প্রতিটি স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য থাকবে সুসংগঠিত কর্মজীবন পরিকল্পনা। নার্স, মিডওয়াইফ, প্যারামেডিক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার প্রত্যেকের আলাদা ক্যারিয়ার কাঠামো এবং পদোন্নতি ও পদায়ন হবে যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’
চিকিৎসা বর্জ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি, উৎসে পৃথকীকরণ, নিরাপদ পরিবহন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সবার আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সহযোগিতা অতীব প্রয়োজন। আমরা যারা বিশেষায়িত মেডিকেল শিক্ষায় শিক্ষিত, তারা সংকল্পবদ্ধ হয়ে নিশ্চয় আপামর জনগণকে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা হলেও নিশ্চিত করতে পারব। সম্পূর্ণ সফল না হলেও চেষ্টার ঘাটতি যেন না থাকে, যেন পিছিয়ে না যায়। করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল সরকারি হাসপাতালগুলো দালালমুক্ত করতে সব চিকিৎসকের সহায়তা চান।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি চিকিৎসকদের সেবার মনোভাব নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে আহ্বান জানান।
ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ও সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, বিএনপি চেয়ারম্যানের অন্যতম উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ড্যাবের উপদেষ্টা ডা. শাহ মো. শাহজাহান আলী, ড্যাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল কেনান, কোষাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী হাসান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ডা. খালেকুজ্জামান দিপু, সহ-সভাপতি ডা. আব্দুস শুকুর খান, ডা. জসীম উদ্দিন, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ডা. এম এ সেলিম, যুগ্ম মহাসচিব ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, শিক্ষা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হাসান সুমন, পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি, ইফতার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, সদস্য সচিব ডা. সামিউল আলম বাবু, বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাঁকন, ড্যাবের সহ-সভাপতি ডা. পরিমল চন্দ্র মল্লিক, ডা. রোস্তম আলী মধু, ডা. এরফানুল হক সিদ্দিক, অধ্যাপক ডা. মাসুদ আক্তার জিতু, ডা. শহিদুল ইসলাম বাবুল, ডা. শাহ মো. আমানুল্লাহ, ডা. শেখ ফরহাদ, ডা. শামসুল আলম, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. রাহাত, ডা. তৌহিদুল ইসলাম বিটু, ডা. আতিকুর রহমান সুজন, ডা. ফারুক আহমেদ, ডা. রানা, ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক ডা. মাহামুদুর রহমান মিহি, ডা. দেলোয়ার হোসেন টিটু, ডা. আজাদ, ডা. বশীর আহমেদ, ডা. গালিব হাসান প্রিতম, ডা. বাসেদুর রহমান সোহেল, ডা. রাকিবুল ইসলাম আকাশ, ডা. পাভেল, ডা. ফৈরদুস আহমেদ, ডা. শফিকুল ইসলাম শফিক, ডা. ঈষাদ, ডা. মাসুদ, ডা. আফিফ উপস্থিত ছিলেন।
ইফতারের আগে ড্যাবের পক্ষ থেকে ২১০ জন দুস্থ শিশুর মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ফাতেমা তাসনিম জুমা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমার ছবি জড়িয়ে ফটোকার্ড প্রকাশ ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে কথা গণমাধ্যমে কথা বলেছেন জুমা।
দেশের এক বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাতেমা তাসনিম জুমা বলেন, ‘আমার যদি কোনো দোষ থাকে, তাহলে প্রশাসনের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে যাতে আমাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর যাতে ইন্টারোগেশন (তদন্ত) করে। ইন্টারোগেশনের পর যদি কিছু পায় তারা যাতে সেটা সঠিকভাবে ব্যবহার করে।
তিনি বলেন, ‘যদি মনে করেন, আমাকে কেউ দোষী বানাতে চায়; ফাঁসাতে চায়। আলটিমেটলি সত্য তো কখনো গোপন থাকে না; সত্য তো একদিন না একদিন সামনে আসবেই। হয়তো আমাকে গ্রেপ্তার করবে বা রিমান্ডে নেবে; যেভাবে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়াজ তুলছে। এটা মূলত এখন শুরু হয়নি; এটি সেদিন থেকে শুরু হয়েছে যেদিন ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।’
জুমা বলেন, ‘তাদের ভয়ের জায়গা হচ্ছে, যদি শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার হয়, সেই বিচারটা হলে আসলে অনেকেই ফেঁসে যাবেন। যদি কেউ মনে করে আমাকে বা জাবের ভাইকে ফাঁসিয়ে অথবা ইনকিলাব মঞ্চকে চুপ করিয়ে তারা যদি ভাবে হাদি হত্যার বিচার ধামা চাপা দেওয়া যাবে- তাদের আসলে সেই আশা গুড়ে বালি। কারণ বাংলাদেশের আট লাখ মানুষ একটি মানুষের জানাজায় অংশ নিয়েছিল, পুরো বাংলাদেশের মানুষ বার বার তার কবর জিয়ারত করছে। সারা বাংলাদেশের মানুষ হাদি হত্যার বিচার দাবি করছে, সেখানে জুমা বা জাবেরকে দমিয়ে বিচার বন্ধ করা যাবে না।’
এদিকে, প্রচারিত ফটোকার্ডে দেখা যায়, ফয়সাল করিম মাসুদ এবং ফাতেমা তাসনিম জুমা পাশাপাশি হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে বসে আছেন। ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে জুমার ছবি ভাইরাল।’
দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি এআই নির্মিত।
ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বার্তা বাজারে গত ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং হত্যা মামলার আরেক আসামি আলমগীর হোসেনের একই ধরনের একটি ছবি পাওয়া যায়। তবে, দিগন্ত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমদ
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।