শফিকুর রহমান

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:২৫ এএম

ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. শফিকুর রহমানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। গত ১২ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জারি করা গেজেট অনুসারে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা) আইন, ২০২১ এর বিধি ২(১)(ত) এর অধীনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরকে একই আইনের অধীনে বিরোধীদলের উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সরকারের বিরোধিতাকারী সংসদীয় দল বা জোটের সদস্য সংখ্যা সর্বাধিক হওয়ায় স্পিকার তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেন।




মির্জা আব্বাস

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:২৩ এএম

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিকেল বোর্ড। আজ শুক্রবার বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম এ কথা জানিয়েছেন।


তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সবকিছু পর্যালোচনা করে মির্জা আব্বাসের মস্তিস্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


“দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে উনাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে। এর আগে সকালে উনার সিটি স্ক্যান করা হয়েছিল। সেই রিপোর্টে অবস্থার অবনতি বোঝা যাওয়ায় দ্রুত একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে এবং সব কিছু দেখে এই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়েছে।”


মেডিকেল বোর্ডে দেশের প্রখ্যাত নিউরো বিশেষজ্ঞরা আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক রফিক।


বোর্ডের আলী উজ্জামান জোয়ার্দার, কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, শাহাবুদ্দিন তালুকদার, রাজিউল হক, সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, কাদের শেখ, শফিকুল ইসলামসহ এভারকেয়ার হাসপাতালের চিকিৎসকরা রয়েছেন।


রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।


গত বুধবার ইফতারির সময়ে অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে।

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:২০ এএম


সামান্তা শারমিন ও শাহরিয়ার কবির।

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:২০ এএম

শাহরিয়ার কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।

শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা ৩টা ১৯ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি। তার পোস্টটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন জামায়াতের রাজনৈতিক বিশ্লেষক শাহরিয়ার কবির। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে যে কয়জন নারী নেত্রী সরব ছিলেন, তিনি তাদের মধ্যে একজন। তখন আমরা আমাদের পাশে কাউকে পাই নাই। তার ব্যাপারে যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেটা দল নেবে। শাহরিয়ার কবির শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য করেছেন।

সামান্তা আপুর অনেক কথার সঙ্গে আমি একমত না। কিন্তু উনাকে আততায়ী বলা, টাকায় বিক্রি হওয়া ও এজেন্ট বলার মতো নোংরা মন্তব্য করার জন্য শাহরিয়ার কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:১৮ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


ডা. জুবাইদা

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:১৮ এএম

প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের সংকল্প বলে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, `মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সবার দোরগোড়ায় থাকবে, ইনশাল্লাহ।’

শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে জাতীয় সংসদের এলডি হলসংলগ্ন মাঠে ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাবের উদ্যোগে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জুবাইদা রহমান বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার। প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করাই বর্তমান সরকারের সংকল্প। আমাদের বিশ্বাস, আমাদের সংকল্প- চিকিৎসা খরচ মেটাতে আর সর্বস্বান্ত নয়। প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা পাবে তার প্রয়োজন অনুযায়ী, সামর্থ্য অনুযায়ী নয়। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল ভিত্তি-স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সেবা এবং এগুলোকে মা, শিশু ও নবজাতকদের স্বাস্থ্যসেবার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’

জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. জুবাইদা বলেন, ‘তাদের লক্ষ্য সময়মতো অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে আর কোনো মানুষ যেন তার জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগ না করে। যাতে ২৪ ঘণ্টা রোগী পরিবহন ও জরুরি সহায়তা পাওয়া যায়। মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য সরকারি মেডিকেল কলেজ ও স্নাতকোত্তর ইনস্টিটিউটসমূহের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বলেন, ‘প্রতিটি স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য থাকবে সুসংগঠিত কর্মজীবন পরিকল্পনা। নার্স, মিডওয়াইফ, প্যারামেডিক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার প্রত্যেকের আলাদা ক্যারিয়ার কাঠামো এবং পদোন্নতি ও পদায়ন হবে যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’

চিকিৎসা বর্জ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি, উৎসে পৃথকীকরণ, নিরাপদ পরিবহন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সবার আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সহযোগিতা অতীব প্রয়োজন। আমরা যারা বিশেষায়িত মেডিকেল শিক্ষায় শিক্ষিত, তারা সংকল্পবদ্ধ হয়ে নিশ্চয় আপামর জনগণকে পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা হলেও নিশ্চিত করতে পারব। সম্পূর্ণ সফল না হলেও চেষ্টার ঘাটতি যেন না থাকে, যেন পিছিয়ে না যায়। করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল সরকারি হাসপাতালগুলো দালালমুক্ত করতে সব চিকিৎসকের সহায়তা চান।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি চিকিৎসকদের সেবার মনোভাব নিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিতে আহ্বান জানান।

ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ও সংসদ সদস্য ডা. আব্দুস সালাম, সংসদ সদস্য ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, বিএনপি চেয়ারম্যানের অন্যতম উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ড্যাবের উপদেষ্টা ডা. শাহ মো. শাহজাহান আলী, ড্যাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল কেনান, কোষাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী হাসান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ডা. খালেকুজ্জামান দিপু, সহ-সভাপতি ডা. আব্দুস শুকুর খান, ডা. জসীম উদ্দিন, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ডা. এম এ সেলিম, যুগ্ম মহাসচিব ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন।

এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, শিক্ষা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হাসান সুমন, পরিচালক অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি, ইফতার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, সদস্য সচিব ডা. সামিউল আলম বাবু, বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাঁকন, ড্যাবের সহ-সভাপতি ডা. পরিমল চন্দ্র মল্লিক, ডা. রোস্তম আলী মধু, ডা. এরফানুল হক সিদ্দিক, অধ্যাপক ডা. মাসুদ আক্তার জিতু, ডা. শহিদুল ইসলাম বাবুল, ডা. শাহ মো. আমানুল্লাহ, ডা. শেখ ফরহাদ, ডা. শামসুল আলম, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. রাহাত, ডা. তৌহিদুল ইসলাম বিটু, ডা. আতিকুর রহমান সুজন, ডা. ফারুক আহমেদ, ডা. রানা, ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক ডা. মাহামুদুর রহমান মিহি, ডা. দেলোয়ার হোসেন টিটু, ডা. আজাদ, ডা. বশীর আহমেদ, ডা. গালিব হাসান প্রিতম, ডা. বাসেদুর রহমান সোহেল, ডা. রাকিবুল ইসলাম আকাশ, ডা. পাভেল, ডা. ফৈরদুস আহমেদ, ডা. শফিকুল ইসলাম শফিক, ডা. ঈষাদ, ডা. মাসুদ, ডা. আফিফ উপস্থিত ছিলেন।

ইফতারের আগে ড্যাবের পক্ষ থেকে ২১০ জন দুস্থ শিশুর মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:১৫ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


ফাতেমা তাসনিম জুমা

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:১৫ এএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমার ছবি জড়িয়ে ফটোকার্ড প্রকাশ ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে কথা গণমাধ্যমে কথা বলেছেন জুমা।


দেশের এক বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফাতেমা তাসনিম জুমা বলেন, ‘আমার যদি কোনো দোষ থাকে, তাহলে প্রশাসনের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে যাতে আমাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর যাতে ইন্টারোগেশন (তদন্ত) করে। ইন্টারোগেশনের পর যদি কিছু পায় তারা যাতে সেটা সঠিকভাবে ব্যবহার করে।


তিনি বলেন, ‘যদি মনে করেন, আমাকে কেউ দোষী বানাতে চায়; ফাঁসাতে চায়। আলটিমেটলি সত্য তো কখনো গোপন থাকে না; সত্য তো একদিন না একদিন সামনে আসবেই। হয়তো আমাকে গ্রেপ্তার করবে বা রিমান্ডে নেবে; যেভাবে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়াজ তুলছে। এটা মূলত এখন শুরু হয়নি; এটি সেদিন থেকে শুরু হয়েছে যেদিন ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।’


জুমা বলেন, ‘তাদের ভয়ের জায়গা হচ্ছে, যদি শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার হয়, সেই বিচারটা হলে আসলে অনেকেই ফেঁসে যাবেন। যদি কেউ মনে করে আমাকে বা জাবের ভাইকে ফাঁসিয়ে অথবা ইনকিলাব মঞ্চকে চুপ করিয়ে তারা যদি ভাবে হাদি হত্যার বিচার ধামা চাপা দেওয়া যাবে- তাদের আসলে সেই আশা গুড়ে বালি। কারণ বাংলাদেশের আট লাখ মানুষ একটি মানুষের জানাজায় অংশ নিয়েছিল, পুরো বাংলাদেশের মানুষ বার বার তার কবর জিয়ারত করছে। সারা বাংলাদেশের মানুষ হাদি হত্যার বিচার দাবি করছে, সেখানে জুমা বা জাবেরকে দমিয়ে বিচার বন্ধ করা যাবে না।’


এদিকে, প্রচারিত ফটোকার্ডে দেখা যায়, ফয়সাল করিম মাসুদ এবং ফাতেমা তাসনিম জুমা পাশাপাশি হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে বসে আছেন। ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে জুমার ছবি ভাইরাল।’


দ্য ডিসেন্টের যাচাইয়ে দেখা গেছে, ছবিটি এআই নির্মিত।


ছবিটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বার্তা বাজারে গত ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং হত্যা মামলার আরেক আসামি আলমগীর হোসেনের একই ধরনের একটি ছবি পাওয়া যায়। তবে, দিগন্ত 


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমদ

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:১৩ এএম

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি জাতীয় সংসদের ফ্লোরে আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।


শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশন কতদিন চলবে, কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হবে, কী কী আইন উত্থাপন করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর কত ঘণ্টা আলোচনা হবে—এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।


তিনি জানান, ১৫ মার্চের অধিবেশন শেষে সংসদ মুলতবি হয়ে ঈদের পর ২৯ মার্চ আবার বসবে। এরপর এপ্রিল মাসজুড়ে সংসদের অধিবেশন চলবে।


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো একটি বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন আকারে তা সংসদে উত্থাপন করা হবে।


মাওলানা সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা

  • প্রকাশ : রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১০:১০ এএম

‘আমি হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি এ দেশে থাকতে পারবে না’ বক্তব্যটিকে স্লিপ অব টাং দাবি করেছেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা মাওলানা সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা।

তিনি বলেন, ‘গতকাল আমি আমার একটি বক্তব্যে বলেছি, বিএনপি এদেশে থাকতে পারবে না, এটা স্লিপ অব টাং হতে পারে। কারণ তখন আমার মাথায় ছিল একটা আর মুখ থেকে বের হয়েছে আরেকটা।’

শনিবার (১৪ মার্চ) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। হানজালা জানান, তারা বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল শিবচর।

তিনি দাবি করেন, ‘মূলত কথাটা এরকম ছিল যে, আমার টার্গেট ছিল শিবচরে যারা বিএনপির নামে উচ্ছৃঙ্খল করছে, অবৈধভাবে কোনো কাজের সাথে জড়িত হচ্ছে এবং সেই জায়গায় বিএনপির নাম ভাঙছে। এটা তো আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এলাও করবেন না। গত কয়েকদিনে উনার যে রাজনৈতিক যে ধারা আমি দেখলাম, উনি তো এগুলো (অবৈধভাবে বালু উত্তোলন) এলাও করবে না। কেউ বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে চাঁদাদাবি করলে এটা এলাও করবে, করবে না। এ জন্য বিএনপির সঙ্গে আমার সংঘর্ষ হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।

এর আগে, শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে শিবচরের বাহাদুরপুর মাঠে আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় হানজালাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি গত কয়েকদিন ধরে ভালোভাবে খেয়াল করেছি, আমাদের কিছু ভাইয়েরা খুব লেখালেখি করছেন এবং খুব কথা বলছেন। তারা অন্য কেউ নয়, তারা শিবচরের বিএনপি ভাইয়েরা। আমি হানজালা নির্বাচিত হওয়ার পর আমার নেতারা কারও সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেনি, হুমকি-ধমকি দেয়নি। আমার চুপ করে থাকা মানে আমার কোনো দুর্বলতা নয়, আমি শান্তি চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী বক্তব্য দিয়েছেন যে, বিএনপিকে খোঁচাখুঁচি করবেন না। আরে আমি হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে বিএনপি এ দেশে থাকতে পারবে না। আপনারা রাজনীতি করেন শিবচর উপজেলা নিয়ে, হানজালা রাজনীতি করে পুরো বাংলাদেশ নিয়ে। আপনারা চিল্লাচিল্লি করবেন গ্রামেগঞ্জে, হানজালা চিল্লাচিল্লি করবে বাংলাদেশের পার্লামেন্টে।’

বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি নিজেকে উদার দাবি করে বলেন, ‘আমার জায়গায় যদি আজ অন্য কেউ হতো, তাহলে আপনাদের বাড়িঘরে কাউকে থাকতে দিত না। আগের এমপির বিরুদ্ধে এ দেশের একজনও কলম ধরতে পারেনি, আমি শিবচরের মানুষকে সেই বাকস্বাধীনতা দিয়েছি।’