শিরোনামঃ "লিপি--কাব্য"
কলমেঃ জসিম গাজী
.....................................................................
আপনি তো জানেন আপনার দেশ কি রকম চলছে
আপনার মানুষেরা কি ভাবে বেঁচে থাকে
ক জন, জনগনই আপনার খেয়ে পড়ে আছে
তা আপনার জানবার কথা,হয়তো আপনি জানেননা,
আপনি জানবেনা এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার,
আঠারো কোটি মানুষের দারে দারে গিয়ে
আপনি কি করে খোঁজ নিতে পারেন?
আপনার জনগন তা বুঝতে পারে আপনাকে,
কিন্তু --আপনার মন্ত্রী পরিষদ আছে, সাংসদ আছে, আছে অনেক বুদ্ধিজীবী-সাংবাদিক তারা আপনাকে ফাঁকি দিচ্ছে না তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?
একটু খোঁজ নিন,
কত অসহায় হতদরিদ্র পরিবার আছে -কি
ভাবে যে বেঁচে থাকে দেখবার কেউ নেই....
দিনের পর দিন ঋনের দায় ভেরেই চলছে মানুষের ,
ডাক্তার-চিকিৎসা-ঔষধ-টেস্ট-কত রকম খরচ, বেঁচে থাকতে নাকি এগুলো লাগবেই -কিন্তু টাকা কোথায়?
স্বাস্থ্য মন্ত্রী আমাদের জন্য আরো কম খরচে চিকিৎসা
সেবা প্রদান করবার আহবান করছি-----
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার মাধ্যেমে
বাচ্চাদের পড়া লেখার খরচ,বই খাতা-কলম
আরো কত কি?এই আমার কি সোনার দেশ?
এই দেশই আমাদের জন্য রেখে গেলেন "মুজিব"?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ---
এমনি চলছে আপনার এই দেশে,-প্রতি ঘরে ঘরে, আপনি খোঁজ নিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আপনার কথা রাখুন, আমাদের চিকিৎসা দিন,
নিরাপদ খাদ্য দিন
আপনার মানুষেরা কি বেদনায় আছে
তা বুঝতে চেষ্টা করুন
আপনার পার্লামেন্ট- মন্ত্রী-এমপি-পরিষদের-চেয়ারম্যান
মেয়র-, -পুলিশ -আইজিপি -ডিসি- এসপি -এ'এসপি-ওসি-সচিব,-উপসচিব,-কর
আদায় কারি বিসিএস ক্যাডার,
ফাইলে সই করা মস্ত বড় অফিসার,
এরা সবাই কেমন আছে একটু খবর
নেবেন---- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
তারা কত টাকা মায়নে পায় আর তাদের ঘরে
কত টাকা খরচ হয়?এত টাকায় গাড়ি- ফ্ল্যাট,
দুদুকে বসে নিজেরাই দুর্নীতিতে জর্জরিত,,
আপনি তো জানেন, কোন বিসিএস কোথায় বসেছে,
কত টাকা তাদের সরকারি বেতন হয়-এটা তো জানেন,আর তারা কত টাকা ব্যায় করছে---
ভ্রমনে-এ্যালকহলের বারে,
বিঘা বিঘায় জমি,-এত বাড়ি,-এগুলো কোথা থেকে আসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? এভাবেই চলবে এই দেশ?
এভাবেই কি খাবে দেশের বুক চিরে গুটি কয়েকজন?
আঠারো কোটি মানুষের মানচিত্র,-স্বপ্ন-বীর যোদ্ধাদের --------এই স্বপ্নের দেশ?
একজন ইউপি চেয়ারম্যান এর সাক্ষাতের
জন্য চকিদারকে একশ টাকা ঘুষ দিতে হয়,
পাঁচশত টাকা না দিলে ইউপি- সদস্যকে
ডেকে পাওয়া যায় না,
আমাদের জন্য মুক্তি কামী মানুষেরা এই দেশই কি রেখে গেছেন?,আজ মানুষেরা বলে-আমরা ব্রিজ চাইনা-আমাদের বাঁচতে হবে-আমরা মেগা প্রকল্প চাইনা----- আমাদের ঘুমাতে হবে,
মহা প্রকল্প আর মহা প্রস্তুতি-এগুলো কেবল হাতে গনা ক'জনের পকেট ভারি হবে, আর বাকি আঠারো কোটি মানুষের কপাল পুরবে জনমের তরে,তারা না পাবে আশ্রয় না পাবে খাদ্য, -টাকা নাই-- খাদ্য নাই,
খাদ্য মন্ত্রী কে বলে দিননা ম্যাডাম----
খাদ্য আহরন করতে আমাদের একেবারেই
যেন সহজ করে দেন
আপনার সাধারণ জনগণ চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে!তাদের পোশাক,-নিত্যদিনের খাদ্য গ্রহণ আপনাকে বেদনা দেবে -- দেশ রত্নাকর---জননী,
আপনি একটু খোঁজ নিন অদূরে যেতে হবেনা, আপনার সরকারি বাস ভবনের আসেপাশেই মিলবে এমন মানবেতর জীবন পার করা করুন দৃশ্য,
আপনি অনেক দরদী প্রধান মন্ত্রী ----
বিষয় গুলো আপনি একটু মনে জায়গা দেবেন
একজন দিনমজুর সারা দিনে কাজ করে পায় মাত্র ছয়শত থেকে সাতাশত টাকা, ঘরে পাঁচ-ছয় জনের সদস্য পরিবার,
একবার ভাবুন-- মানবতার নেত্রী ---
যে হারে দ্রব্য মূল্যের দাম বেড়েই চলছে-,
তা দিয়ে, কি করে এই দিনমুজুর পরিবারটি
চলতে পারে?
একেতো রোগ শোক-নানান ব্যাধি লেগেই থাকে, এত কিছুর মধ্যে রোজই যে সে কাজে যেতে পারে তা তো নয়!? তাহলে এমন পরিবারগুলো কতটা কষ্টে জীবনকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে একটু ভাবুন -"আপা"
এমন লাখ লাখ পরিবার আছে আপনার এই সোনার দেশে যারা এরক ভাবে বেঁচে আছে চোখে জল লুকিয়ে, অথচ কত হাজার হাজার কোটি
টাকা লাপাত্তা হয়ে যাচ্ছে হরহামেশাই
আপনার প্রশাসন মন্ত্রী -মানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে
আপনি বলুন -- আইজিপি মহদয়কে যেনো বলে দেন ---তার বাহিনী, -পুলিশ,যেন প্রশাসনিক কাজ গুলো ঠিক ঠাক ভাবে করেন,
আর কালো টাকার জন্য যেনো তাদের কুকুরের মত জিহ্বা বের না করে, মুখের ভেতরেই থাকে তাদের লালসাময় জিহ্বা,
তবে কিছু সদস্য তো আছেন, যারা নিষ্ঠার সাথে ত্যাগী হয়ে কাজ করে যান, তাদের জন্য সেলুট, তাদের জন্য আমরা কিছুটা হলেও ন্যায় বিচার পাই পুলিশ তো আমাদেরই ভাই-বন্ধু- হিতাকাঙ্ক্ষী
মন্ত্রী পরিষদের নির্বাহী-পরিচালক-চেয়ারম্যান,-
সচিব,- এডিশনাল সচিব,- উপসচিব,
-তাদের পিওন,-গাড়ী চালক,এদের-একটু তলবে রাখুন,একজন গাড়ী চালক কি করে শত
কোটি টাকার মালিক হয়ে যায়?
কমিশনার -- উপকমিশনার তাদের প্রতি নজর বারাতে বলে দিবেন,----প্রিয় দেশ মাথা
কর আদায়কারী সকল মহা পরিচালক-উপ-পরিচালক
বিসিএস ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে, কে কোথায় বসে কার কলিজায় তরবারি চালায় একটু দেখতে বলবেন -
-----জননেত্রী শেখ হাসিনা,
আমাদের আর্মি, অবকাঠামো নির্মাণ উন্নয়নে তাদের বেশ ভূমিকা লক্ষ্যনীয়, আমাদের আমজনতার একটা দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে সেনাবাহিনী যেন কাজের ধারা অব্যাহত রাখেন তারা,
তাদের দিয়ে রাস্তা -ব্রিজ -হাইওয়ে-বেদখল নদী স্থাপনা উচ্ছেদ,-স্কুল ভবন-কলেজ-ইউনিভার্সিটি বহুতল ভবন- সরকারি সকল কাজ জনগণের স্বার্থে যেনো তাদের হাত দিয়েই করানো হয়,
আমাদের একটা ভরসার যায়গা আছে আমরা বলতে পারি গর্ব করে-শক্ত দক্ষ সৎ সেনা আছে নিজেদের
মাননীয় দেশনেত্রী - আপনি আর আপনার হাতে গননা করা ক'জন দিয়ে আপনি কি করে এই দেশ সোনায় রুপ দেবেন?
" হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের দেশ,- স্যার নবাব সলিমুল্ল্যার দেশ, মাওলানা ভাসানীর দেশ,বিদ্রোহী কাজী নজরুল ইসলাম এর দেশ, এত বড় দায় আপনার, আপনি কি করে এড়িয়ে জাবেন? আপনার দেশের আইনের প্রতি নজর দিতে বলুন--- আইন মন্ত্রী-সচিবকে,
শিক্ষার যে হাল করে গেছেন গত হওয়া- এডুকেশন মিনিস্টার তা আমাদের খুবই ভাবায়, এই শিক্ষা আমরা চাইনা, সকল শিক্ষার্থী-অভিবাবক গণ এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে যাচ্ছে শিক্ষা নীতি,
-শিক্ষা কারুকালাম ,শিক্ষার এই বেহাল
ধসার উপর আপনি নিজে একটু হস্তক্ষেপ করুন... মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
তা না হলে আমাদের জন্য শিক্ষা হবে আগামীর জন্য এক অন্ধকার-মরিচীকাময় সুফল মাত্র,
আমরা শরিফ থেকে শরিফার কোন
কাল্পনিক গল্প চাইনা পাঠ্য বইয়ে,
শিক্ষার্থীরাও তা চায়না,
ট্রানজ্যান্ডার বিকৃত শিক্ষা আমরা চাইনা,
আপনার দল ভাঙিয়ে পাড়া-মহল্লা-ওয়ার্ড গুলো তে চলে পিকনিক-টুর্নামেন্ট-প্রতিযোগিতার নামে চাঁদা
এগুলো আপনার দলের ভাবমূর্তী নষ্ট করে,
নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দলে,এগুলো আপনার দলের সেক্রেটারিকে বলে দিবেন যেন প্রতি ওয়ার্ডে-থানায় নেতা নির্বাচনে আদর্শ নেতা নির্বাচন করেন,
অবশ্য সব এলাকতেই এখনো দলের আদর্শ বুকে
নিয়ে রাজনীতি করে যাচ্ছেন বহু "মুজিব" সেনা,
মানুষের পাশে থাকে,কাজ করেন নিঃশ্বার্থে
মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে দৌড়ে যান সকলের
দুয়ারে...
দলে টাকার বিনিময় বড় বড় আসন-পদ- বিক্রি হয়, আর হাইব্রিডদের রাজত্ব চলে,
দলে ত্যাগী নেতাদের অবমূল্যায়ন
করা হচ্ছে ,
সে খবর দলের সেক্রেটারি হয়তো যানেনা,
নজর রাখতে বলবেন, ----দরদী দেশ নেত্রী
আমাদের দেশে কোঠা নিয়ে কত
রকম বাহারি কর্মসূচী হয়
কোঠার ব্যাপারটা একটু ডেলে সাজানো উচিত,
কত কত মেধাবীরা 'চা' বিক্রি করছে,
এদের একটু দেখুন- নেত্রী 
বিশ-ত্রিশ লাখে চাকরি হয় অযোগ্য
মেধা শূন্য প্রার্থীদের
আর মেধাবীরা ফুটপাতে টি-শার্ট হকারি
করে জীবন পার করছে,
এটা আমাদের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দারিয়েছে
এই বিষয়টা মুক্তি যোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কে দৃষ্টি আকর্ষন করবেন দয়া করে---প্রিয় জননেত্রী
দূর্ণীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা শাবক-- পনের লাখে
খাশি-ছাগল ক্রয় করে,-দামী ব্রান্ডের গাড়ী!কোথ থেকে আসে?দূর্ণীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান কে বলবেন তার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে,
সহকারী ম্যাজিস্টেডে জয়েন্ট করে পদোন্নতি হয়ে- ম্যাজিস্টেড,
-উপসচিব,
-সচিব,-
বোর্ড অব মন্ত্রনালয় এর চেয়ারম্যান হলেও ও কি কোটি কোটি টাকার সম্পদ করা যায়?
বিলাসবহুল জীবন-গাড়ী-বাড়ি,
কতইনা রঙিন লিলা-খেলা,
গ্রাম কে শহর করবার লক্ষে চলছে অবাধে
ফসলি জমি দখল মাইলকে মাইল,
আমাদের কৃষি জমি ক্রমশই সংকির্ন্ন হয়ে বসছে,
ভুমি মন্ত্রী হয়তো এগুলো দেখেনা,
আমাদের জমি বাঁচাতে হবে,
তা একটু মনে করিয়ে দেবেন-ভূমি মন্ত্রীকে
মাননীয় আপা,
আমাদের আপা-জনগনের শেখ হাসিনা
আপনাকে অনেক কথা শুনতে হবে,
বছর ঘুরে দু'ঈদে আপনি আপনার -মন্ত্রী পরিষদ এর মন্ত্রীদের নিয়ে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন,
সাথে পার্লামেন্ট সদস্য বৃন্দ থাকেন,-
মেয়র,-বুদ্ধিজীবি থাকেন,
আপনার পার্সনাল সচিব সেক্রেটারি,
বিরোধী দলের সাংসদরাও থাকেন,
দলীয় গুরুত্বপূর্ণ নেতা-নেত্রীরাও থাকেন,
---এ তে আমজনতার কি কল্যাণ হয়
তা আমাদের বোধগম্য নয়,
সাধারণ জনগণ আপনার সাথে কখনোই
ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারেনি ,
তা করবারও আদোও সম্ভব নয়,
অবশ্য মোবইলে, ঈদের-তিন-চার সেকেন্ডের
শুভেচ্ছা বার্তা আসে আপনার কন্ঠে,
এতে আপনার মেহনতী আঠরো কোটি
জনগন এমন বার্তা চায়না,
তারা চায় ঈদের দিন বয়লার মুরগীর দুই টুকো মাংস,
দু চামচ ঝোল, দুই টুকরো আলু,
সাথে মোটা চালের ভাত,
তারা এমন ভার্চুয়াল বার্তা চায়না,
তারা চায় মোটা কাপড়- মাত্র
বিদ্যুৎ চায়,ফসল চায়-নিজেদের জমির ফসল...
আপনি কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসুন-মন্ত্রী সভায়, আমরা এমন শিক্ষা মন্ত্রী চাইনা, -এমন শিক্ষাও নয়,-যে শিক্ষা অর্জনের করতে বাচ্চারা- শিক্ষার্থীরা হাতে ডিভাইস নিয়ে গুগল- ইউটিউব
করে করে পড়া বের করবে,
এমন শিক্ষা মন্ত্রী আপনি সরিয়ে নিন,
আপনি শিল্প ও বানিজ্য মন্ত্রীদের বলুননা, ম্যাডাম-
আমাদের দেশে এত তরুন নবীন উদ্যোগতা, তারা একটু যত্ন আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঝড়ে যাচ্ছে,
আমাদের তরুন প্রজন্মের উদ্যােগতারা খুবই পরিশ্রমী মেধাবী একটু গাইড লাইন-আর্থিক সাপর্ট দরকার তাদের, এ সকল বিষয় গুলোও ভেবে দেখবেন,
আমাদের -জন নেত্রী ম্যাডাম,
গণপুর্ত্ব মন্ত্রণালয়ের ব্যাপারে কিছু বলতে চাই,
কত মানুষের ঘর নাই, মাথা গোজার জায়গা নাই
একটু খেয়াল করতে বলবেন..
ঘর ছাড়া মানুষের জীবন কি হালে
কাটে তা বননা করবার্জ্য নাই
তথ্য মন্ত্রী মহদয় সঠিক তথ্য সম্প্রচার করছেন কিনা-- আপনার কাছে সে সকল খবরাখবর পৌওছে কিনা, আমাদের মধ্যে সন্ধিহান থেকে যায়,
এত নিউজ হয়,
এত সেটেলাইট সেনেল আমাদের,
অনলাইন পোর্টাল নিউজ,
ই'নিউজ,
তবু হয়তো আপনি সঠিক তথ্য পাননি
বলে মনে করে আপনার আমজনতা,
মানুষের এত হাহাকার চার পাশে,
এত আত্মা বলি,
এত ঋন,
এত অভাব,
সব কিছুরই নিউজ হয়,
আপনার পযর্ন্ত পৌঁছাতে দেয়া হয়না
-----মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
মানুষ একটুরো গোস্তোর জন্য কেমন আকুতি নিয়ে
ধনীদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ভিক্ষা করে,
এই উন্নয়নে-আয়ের ধারায় থেকে!?
এসব দৃশ্য আমাদের খুব পিড়া দেয়,
আপনি একটু নজর দিন,----প্রিয় নেত্রী
এরা সব্বাই তো আপনার লোক আপনার জনগন,
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এর দিকে ও নজর দিন ম্যাডাম
আমাদের দেশের সম্পদ,-রবিন্দ্র সংগীতশিল্পী -শিক্ষক,যার হাত ধরে কত শিল্পী তৈরি হয়েছে,
রাগে অভিমানে ঘৃণায় নিজে নিজেকে হত্যা করলেন, সে তার প্রাপ্য সম্মান টুকু পায়নি বলে,
সে তার সম্মান টুকই চেয়েছে কেবল,
অথছ, আমরা দেখলাম এমন মানুষদের পদক দেয়া হয়েছে-সাদী মোহাম্মদ স্যার এর ছাত্র
হবার যোগ্য রাখেনা তারা,
এগুলো আমাদের ভাবায়
মেধার সঠিক নির্বাচক নেই এই দেশে
আমাদের দেশ-সমাজ শহর-গ্রাম বৈষম্য
একটা কাটা তাঁরে বদ্ধ হয়ে আছে,
সমাজ কল্যান মন্ত্রীকে সামাজিক যোগাযোগ
বাড়াতে বলবেন সকল বৈষম্যর দেয়াল ভেঙে দিয়ে সবাইকে এক কাতারে নিয়ে আসতে হবে,
আমাদের সমাজে যৌতুক পথা রয়েই গেছে, বিত্তবানরা যা আজ কাল সামাজিক স্টাটাস
বা ফ্যাশন মনে করে
কিন্তু নিতান্তই দরিদ্র যারা?
নিম্ন মধ্যে বিত্ত-মধ্যে নিম্ন বিত্তরা বিরাট
সামাজিক হেনস্তার শিকার হচ্ছে,
কত বিয়ে এখনো ঝুলে আছে,
কত বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে
যাচ্ছে কেবল এক মাত্র যৌতুক নামক
এই নড়কের কিটের জন্য,
আমাদের পণ প্রথা বন্ধ করতেই হবে
প্রয়োজনে আইন করে হলেও তা বন্ধ করতে হবে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী -----আপনাকে আরো একটু বলি
আপনি যে ভাবে সততার সাথে আপনার কাজ করে জান নিরলস ভাবে, আপনার লোকেরা কি তা আধো করে? একটু খোঁজ নিন,
আপনাকে আর একটু বলেই শেষ করবো-
আপনি ঘুশ রোধ করা,
-দুর্নীতি দমন করা,
পণ পথা বন্ধ করা,
প্রয়োজনে এগুলোর জন্য মন্ত্রণালয়ে
গঠন করুন আলাদা আলাদা ভাবে,
অথবা স্পেশাল টিম--ব্র্যান্স তৈরি করুন,
তবেই হয়তো আপনার দেশ ঢ়ের উন্নতি-
সামাজিক শান্তির দিকে যাবে ইনশাআল্লাহ
আর একটু বলেই শেষ করবো--
অর্থমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর,
তাদের নাকের ডগায় বসে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপীর নামে আত্মসাৎ করে ব্যাংক গুলো কে দেউলিয়া করে দিয়েছে,
একই ঋন গ্রহীতা শত- হাজার কোটি টাকা খেলাপি ঋন থাকবার পর তারা আবার নতুন ঋন পাচ্ছে,
অথচ সাধারণ উদ্যোগতারা সামান্য কিছু ঋণের অভাবে তাদের স্বপ্নের প্রকল্প হারাচ্ছে,
"ব্যাংক দেউলিয়া মানে আপনার সোনার দেশ দেউলিয়া হয়ে যাওয়া-একটু ব্যাবস্থা নিন
----মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমরা বাঁচতে চাই,
আপনার জনগন বাঁচতে চায়
আমরা সোনার দেশ চাই-
দুর্নীতি মুক্ত দেশ চাই
কম পয়সায় খাদ্য চাই- স্বাস্থ্যসেবা চাই
-যৌতুক পথা বন্ধ চাই
ভূমি হিনের ভূমি চাই,
সঠিক শিক্ষা চাই-
ঘুশ-দুর্নীতি বন্ধ চাই
ভূমি দখল বন্ধ চাই...